সিনিয়র রিপোর্টার : চার ঘন্টা পর রাজধানীর কুড়িলে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় পুলিশ পোশাক শ্রমিকদের লাঠিচার্জ ও গরম পানি নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।
এর আগে বিকেল ৩টায় ভাটারা থানার কুড়িলে বেতন-ভাতার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে ইউরোজোন ফ্যাশন গার্মেন্টসের শ্রমিকরা। এতে করে সড়কের দুই পাশের যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
সোয়া ৭টায় ডিএমপির গুলশান ট্রাফিক বিভাগের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানানো হয়, আন্দোলনকারী গার্মেন্টস কর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। সকল রুটে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
এর আগে ডিএমপির গুলশান ট্রাফিক বিভাগের ফেসবুক পেজে বেলা ৩টায় এক পোস্টে জানানো হয়, কুড়িলে কিছুক্ষণ আগে ইউরোজোন ফ্যাশন গার্মেন্টসের প্রায় ৫০০-৬০০ কর্মী পুনরায় বেতন-ভাতার দাবিতে ইনকামিং ও আউটগোয়িং রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে কুড়িল থেকে বাড্ডার দিকে ও বাড্ডা থেকে কুড়িলের দিকে কোনো গাড়ি যাচ্ছে না। পাশাপাশি এয়ারপোর্ট রোডে ঢাকা উত্তরা-ময়মনসিংহ হাইওয়ের ইনকামিং এবং আউটগোয়িং উভয় দিকে রাস্তা প্রায় ২০০ কর্মীরা বন্ধ করে দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ী আবু বক্কর সিদ্দিক মানিক বলেন, কুড়িলে রাস্তার দুই পাশ অবরোধ করে বিক্ষোভ করে পোশাক শ্রমিকরা। প্রায় সবার হাতে লাঠিসোটা রয়েছে। এতে করে কুড়িল থেকে রামপুরাগামী সড়কের দুই পাশ বন্ধ রয়েছে। শত শত গাড়ি আটকা পড়ে আছে। পরে সোয়া ৭টার দিকে পুলিশ শ্রমিকদের সরিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে ডিএমপির বাড্ডা জোনের পরিদর্শক (পেট্রোল) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের সঙ্গে মালিক পক্ষের বেতন-ভাতা নিয়ে একটি ঝামেলা চলছিল। শ্রমিকদের পাওনা বেতন ভাতা না দেওয়ায় কুড়িলের রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে। এতে করে সড়কের দুই পাশে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সোয়া ৭টায় আন্দোলনকারী গার্মেন্টস কর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সড়কের যানবাহনের চাপ বেশি।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন