রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক :
সকালের ব্রেকফাস্ট হোক বা দিনভর স্মুদি এখন অনেকেই খাবারের উপরে ছড়িয়ে দিচ্ছেন নানা ধরনের বীজ। শুধু সৌন্দর্য বা রুচির জন্য নয়, শরীরের পুষ্টির দিক মাথায় রেখেই এমন অভ্যাস গড়ে তুলছেন অনেকে। চিয়া, তিসি, সূর্যমুখী বা কুমড়োর মতো বীজ এখন পুষ্টিবিদদের পরামর্শে রোজকার খাদ্যতালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে। চলুন, জেনে নিই সেই ৫টি বীজের উপকারিতা।
কুমড়ার বীজ
এই বীজে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও জিংক যা হাড়ের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আছে ট্রিপটোফ্যান নামের এক অ্যামাইনো অ্যাসিড। যা শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক।
চিয়া বীজ
চিয়া বীজের সবচেয়ে বড় গুণ হলো এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ ছাড়া রয়েছে সলিউবল ফাইবার, যা হজমে সহায়তা করে ও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। পানিতে ভিজিয়ে খেলে এটি জেলির মতো হয়ে পেট ভর্তি রাখে অনেকক্ষণ।
তিসি (ফ্ল্যাক্স সিড)
তিসির বীজে রয়েছে আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড, যা শরীরের প্রদাহ কমায়। ফাইবারসমৃদ্ধ তিসি ওজন কমাতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও কার্যকর। হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এটি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।
সূর্যমুখীর বীজ
এই বীজে থাকে ভিটামিন ই, ফাইবার এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। এটি পলি আনস্যাচুরেটেড ও মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট-এর উৎস, যা খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে রাখে এবং হার্টের রোগের ঝুঁকি কমায়।
তিল
বাঙালি রান্নায় তিলের ব্যবহার খুব একটা দেখা যায় না, তবে তিল তেলের ব্যবহার পুরোনো। তিলে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও উপকারী ফ্যাট, যা হাড় ও হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। এ ছাড়া তিলে থাকা লিগন্যান্স হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বীজ পুষ্টিকর হলেও তা অতিরিক্ত খাওয়া একেবারে ঠিক নয়। বিশেষ করে যাদের কিডনি, লিভার, বা হজমের সমস্যা আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই এসব বীজ খাওয়া উচিত।
এস