রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বেরিস একিনচি।
সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে দেশটির রাষ্ট্রদূত রামিস সেন ছিলেন।
অন্যদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের পর আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে আমাদের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব যেটা জিয়াউর রহমানের সাহেবের সময় থেকে হয়েছে, ওআইসিতে জিয়াউর রহমানসহ তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল সেই বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে। আগামী দিনে ওআইসিকে শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক সুদৃঢ় করা, সবক্ষেত্রে কো-অপারেশন বাড়ানোর বিষয়ে কথা হয়েছে। তার্কিস বিনিয়োগ বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে করার বিষয়টি সেটাও আলোচনায় এসেছে, তুরুস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন সেটাকে আরও কীভাবে বাড়ানো যায় সেটি আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, কামাল আতার্তুক এভিনিউ এই নামটাই দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।’
তিনি জানান, তুরস্ক আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশে অধিকতর বিনিয়োগের জন্য। বৈঠকে দুই দেশের চেম্বারগুলোকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।‘নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে’
এক প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আলাপ হয়েছে। তুরস্কও সেই নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। তারাও নির্বাচন পরবর্তী আগামীর বাংলাদেশ দেখতে চায়। সেই সরকারে সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী কীভাবে করা যায় তা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবার মতো তার্কিও নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার এলে সেই সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’
‘জয়েন্ট ডিফেন্স ইন্ডাষ্ট্রি স্থাপন প্রসঙ্গে’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘তার্কিজ গভার্মেন্ট বাংলাদেশের সঙ্গে ডিফেন্স সেক্টরে যে কো-অপারেশনটা আছে সেটা অব্যাহত থাকবে। তারা একটা জয়েন্ট ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি সেটআপ করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় আছে। আগামীকালকে হয়তো সরকারের সঙ্গে তাদের আলোচনা হবে। সে বিষয়ে আমাদের কো-অপারেশন অব্যাহত থাকবে সেটা আমরা তাদের বলেছি।’
উল্লেখ্য, দুইদিনের সফরে সোমবার সকালে তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসেন।
রিপোর্টার্স২৪/সোহাগ