রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা জানিয়েছেন, ২৭০ কার্যদিবস ধরে চলা আলোচনার পরেও যে বিষয়গুলোতে দলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন মত আছে, সেগুলোকে এড়িয়ে এক ধরনের আদেশ জারি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি এটিকে বলেছেন “জাতির সঙ্গে প্রতারণা” এবং স্পষ্ট করেছেন, “আমরা এই প্রতারণাকে সম্পূর্ণভাবে ‘না’ বলছি।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে তিনি বলেন, ভোটের প্রশ্নে যে বিষয়গুলো বিরোধিতাপূর্ণ, সেগুলোকে উপেক্ষা করে সনদ ঘোষণা করা হচ্ছে। বিএনপি শুরু থেকেই জানিয়েছে—যদি কোনো দিন নির্বাচন হয়, সেই সময়ে গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত নেওয়া হবে।
রুমিন ফারহানা বলেন, নির্বাচনের আগে গণভোট হলে বিএনপি দলের অভ্যন্তরীণ আলোচনা শেষে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ফেব্রুয়ারি মাসে যে নির্বাচন নির্ধারিত হয়েছে, তা যদি স্থগিত হয় বা সময়মতো না হয়, তাহলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার শক্তি হ্রাস পাবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনগণের আসল চিন্তা উচ্চকক্ষ বা নিম্নকক্ষের ভোটের তারিখ নয়। বরং তাদের মূল উদ্বেগ দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত—যেমন সস্তায় খাদ্য, চিকিৎসা সেবা, ওষুধের সহজলভ্যতা, শিক্ষা ও চাকরির সুযোগ, বিদেশে রোজগার করার সক্ষমতা।
রুমিন ফারহানা বলেন, যখন জনগণ এমন একটি গণভোট দেখবে যা তাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সম্পর্কহীন, তখন তারা সেই ভোটে ‘না’ দেয়ার সম্ভাবনা বেশি। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জয়লাভের একটি বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি করবে।
তিনি স্পষ্ট করেছেন, গণভোট হতে হবে স্বচ্ছ ও ন্যায্য, যাতে জনগণ নিজের সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে নিতে পারে এবং প্রক্রিয়ায় কোনো ধরণের প্রভাব না পড়ে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম