মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলায় উলাশী ইউনিয়নের সম্মন্ধকাঠি গ্রামের ভ্যানচালক নুরুজ্জামান এর ছেলে সাব্বির (২৩) চার বছর ধরে পঙ্গুত্ব বহন করে চলেছে। ইতমধ্যে তার পায়ে ৭টি অপারেশন করা হয়েছে। আর ২টি অপারেশন করতে পারলে সে পেতে পারে এই পঙ্গুত্ব থেকে। তার জন্য প্রয়োজন ২ লাখ টাকা। কিন্তু সহায়-সম্বলহীন এই পরিবারের পক্ষে সেই টাকা জোগাড় করতে না পেরে বিনা চিকিৎসায় বাড়িতে পড়ে আছে সাব্বির।
সরজমিন সাব্বির এর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সাব্বির ২ হাতে ক্রাচ আর পায়ে অপারেশনের খাঁচা নিয়ে উঠানে বসে আছে।
সাব্বির এর পিতা ভ্যনচালক নুরুজ্জামান বলেন, ২০২১ সালের জুন মাসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় একটি আলমসাধু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাব্বিরের পায়ের ওপর উঠে গেলে বা পায়ের হাঁটুর নিচের হাড় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। এরপর যশোরে ৪টি ও ঢাকায় ৩টি অপারেশন করানো হয়েছে। এযাবৎ প্রায় ১৫/১৬ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে যার সবটাই ঋণ করা এবং মানুষের সহযোগিতায়। এখন আর ২টা অপারেশন করলে সাব্বির নিজের পায়ে হাঁটা-চলা করতে পারবে বলে ডাক্তার আশ্বস্ত করেছেন। কিন্তু টাকার অভাবে অপারেশন করানো সম্ভব হচ্ছে না। নিজেদের কোনো জায়গা জমি নেই। সরকারের বরাদ্দ দেওয়া জায়গায় কোনোরকমে মাথা গুঁজে থাকেন।
তিনি সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন। সাহায্য পাঠানোর বিকাশ ও নগদ নম্বর ০১৯৪০৭৩০৩৯৩।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি