রিপোর্টার্স স্পোর্টস ডেস্ক: কিলিয়ান এমবাপ্পে একাই চার চারটি গোল করেছেন। তবুও শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। গ্রিসের ক্লাব অলিম্পিয়াকোস শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এমনভাবে চাপ সৃষ্টি করেছিল যে মনে হচ্ছিল,যে কোনো সময়ই ম্যাচ সমতায় ফিরে যেতে পারে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য রিয়াল জিতেছে ৪-৩ ব্যবধানে।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) স্বাগতিক অলিম্পিয়াকোস ম্যাচের মাত্র ৮ মিনিটেই রিয়ালকে চমকে দেয়। প্রায় ২০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত শটে দলকে এগিয়ে নেন ফ্রান্সিসকো চিকিনিয়ো।
পিছিয়ে পড়তেই যেন জ্বলে ওঠেন এমবাপ্পে। মাত্র ৭ মিনিটে টানা তিন গোল করে পূরণ করেন দুর্বল-বিস্ময় হ্যাটট্রিক। পিছিয়ে পড়া রিয়ালের জন্য এগিয়ে আসেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। মাত্র ৭ মিনিটেই তিনবার প্রতিপক্ষের জাল কাঁপিয়ে আদায় করে নেন হ্যাটট্রিক। প্রথম গোলটি করেন ২২ মিনিতে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের পাস থেকে।
দ্বিতীয় গোলটি এর ঠিক মিনিট দুয়েক পর ২৪ মিনিটে। আর্দা গুলার এবার সেই সুযোগ তৈরি করে দেন ফরাসি তারকাকে। হেড থেকে গোল করে ২-১ ব্যবহধানে লিড নেয় ইউরোপের সবচেয়ে সেরা দলটি।
লিড নেওয়ার পাঁচ মিনিট না পেরোতেই আবারও গোলের দেখা পেয়ে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন কিলিয়ান। এবার গোল পেতে সহায়তা করেন কামাভিঙ্গা। ৮ মিনিতে পিছিয়ে পড়ার পর এমবাপ্পের হ্যাটট্রিকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় রিয়াল। হ্যাটট্রিক করেন তিনি ৬ মিনিট ৪২ সেকেন্ড, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে যা দ্বিতীয় দ্রুততম
গোল করার পাশাপাশি গোল করিয়েছিলেনও এমবাপ্পে। তার পাস থেকে ভিনিসিয়ুস গোল করলেও সেটি বাতিল হয়ে যায় অফসাইডে।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে ইরানের ফরোয়ার্ড গোল করে ব্যবধান কমালে গ্যালারিতে প্রাণসঞ্চার হয়। কিন্তু ৫৯ মিনিটে নিজের ও দলের চতুর্থ গোল করে আবারও ব্যবধান বাড়ান এমবাপ্পে। এবারও গোলে সহায়তা করেন ভিনিসিয়ুস।
তবে শেষের আগে যে হাল ছাড়তে রাজি নয় গ্রিসের ক্লাবটি। ৮১ মিনিটে বাঁ দিক থেকে সতীর্থের ক্রসে হেডে স্কোরলাইন ৪-৩ করেন মরক্কোর ফরোয়ার্ড এল কাবি। তবে শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে সমতা বা জেতা কোনোটাই হয়নি অলিম্পিয়াকোসের জন্য।
আসরে ৫ ম্যাচে ৯ গোল করে গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম