রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ দলের ১৫ সদস্যের স্কোয়াডের একটি প্রাথমিক খসড়া তৈরি হয়েছে। নির্ভরযোগ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী, স্কোয়াডের ১২টি স্থান প্রায় নিশ্চিত। বাকি ৩টি জায়গা নির্ধারণ হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে।
বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে পাঁচজনের জায়গা নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। ওপেনিং ও টপ অর্ডার বিবেচনায় লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান আছেন দৌড়ে। সিরিজগুলোতে ওপেনার এবং চার নম্বরে পারভেজ ইমনের সফলতা তাকে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। পাঁচ নম্বরে আস্থা রাখা হয়েছে তরুণ ব্যাটার তৌহিদ হৃদয়ের ওপর। সমালোচনা থাকলেও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে তিনি অবস্থান পাকা করেছেন।
বোলিং বিভাগে সাতজন স্পেশালিস্টের জায়গা নিশ্চিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্পিন বিভাগে আছেন—রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান ও নাসুম আহমেদ। বিগ ব্যাশ লীগে সুযোগ পাওয়া রিশাদকে ঘিরে প্রত্যাশা আরও বেড়েছে।
পেস আক্রমণে থাকছেন মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব ও শরিফুল ইসলাম।
এই ১২ জন স্কোয়াডে প্রায় নিশ্চিত বলে গণ্য করা হচ্ছে।
১৩তম স্থানে ফিনিশারের ভূমিকায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ডেথ ওভারে বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতে চাপ সামলানোর দক্ষতা তাকে এগিয়ে রেখেছে। আইরিশদের বিপক্ষে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সেও তিনি ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছেন। তাই পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে তার অন্তর্ভুক্তি প্রায় নিশ্চিত।
শেষ দুটি স্থানের জন্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা হবে বিপিএল মাঠে। এই দুই জায়গার জন্য লড়াইয়ে আছেন চার ব্যাটার—সাব্বির রহমান রুম্মন, নুরুল হাসান সোহান, শামিম হোসেন পাটোয়ারী ও জাকির আলী অনিক।
বিশেষ করে সাব্বিরের জন্য বিপিএলকে দেখা হচ্ছে বড় সুযোগ হিসেবে। ঢাকা দলের হয়ে কমপক্ষে ১০ ম্যাচে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স (যেমন দুটি অর্ধশতক ও একটি শতক) করতে পারলে তিনি স্কোয়াডে জায়গা পেতে পারেন।
অন্যদিকে, সোহান সর্বশেষ সিরিজে বাজে সময় পার করেছেন, জাকির প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ। শামিমও ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেননি। তাই পারফরম্যান্স যাচাই করেই বাছাই হবে চূড়ান্ত দুই ক্রিকেটার।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি