গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক মাদ্রাসা পরিচালক ও ইমাম (৫১) এবং এক নারী শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মৃত কিশোরী উপজেলার একটি মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।
গ্রেপ্তার ইমামের বিরুদ্ধে ওই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মেয়েটি আত্মহত্যা করে। এর আগে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ইমামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। তার বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায়।
কিশোরীর মা বলেন, “মাদ্রাসা ছুটির পর আমার মেয়েকে রুমে নিয়ে ইমাম ধর্ষণ করে। বাড়িতে এসে সে সব জানালেও মানসম্মানের ভয়ে আমরা কিছু বলিনি। ঘটনাটি সহ্য করতে না পেরে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি এই ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই।”
পরিবার জানায়, নিহত কিশোরীর মরদেহ শুক্রবার ময়নাতদন্ত শেষে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, নিহত কিশোরীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত ইমাম এবং মাদ্রাসার ওই নারী শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা