রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টায় জড়িতদের গ্রেপ্তার, দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে ছাত্রজনতা। কর্মসূচির একপর্যায়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে অগ্রসর হন আন্দোলনকারীরা। পরে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে সচিবালয়ে যান।
সোমবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যালয়ের সামনে থেকে কর্মসূচি শুরু হয়। সেখান থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে যাত্রা করেন অংশগ্রহণকারীরা। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাওয়ের এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম।
বেলা ১টা ২০ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বরে পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন। এ সময় তারা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যান। পরবর্তীতে হাইকোর্ট মাজারের সামনে পৌঁছালে বেলা ১টা ২৩ মিনিটে আবারও পুলিশের বাধা দেওয়া হয়। সেখানেও ব্যারিকেড ভেঙে অগ্রসর হন ছাত্রজনতা।
বেলা ১টা ২৭ মিনিটে শিক্ষা ভবন সংলগ্ন সচিবালয়মুখী সড়কে পৌঁছালে পুলিশ তাদের পথরোধ করে। ওই স্থানে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
এরপর বেলা ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্দেশে সচিবালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে রোববার ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে ছাত্রজনতাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি