এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন রাজধানীতে প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করা হলো ভোটে সম্ভাব্য প্রার্থী, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে। পতিত স্বৈরাচারের দোসররা টার্গেট করেই জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ওসমান হাদিকে গুলি করেছে—এতে কোনো সন্দেহ নেই। সম্প্রতি দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকেই তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হলেও তিনি তাতে ভীত হননি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তিনি বলেছেন, ভয় পেয়ে ৫০ বছর বেঁচে থেকে লাভ নেই, যদি এই বেঁচে থাকা সমাজে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে না পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, হাদিকে হত্যার হুকুমদাতা, অর্থদাতা ও নিয়ন্ত্রকরা ভোটের মাঠের প্রতিযোগিতা–প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ব্যবহার করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীরা ওসমান হাদিকে হত্যার মাধ্যমে জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটে ভয় ধরিয়ে দেওয়া, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কাজে লাগিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ব্লেইম-গেম ও অবিশ্বাস–অনাস্থার জন্ম দেওয়া এবং নিরাপত্তাহীনতা ও জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টির মাধ্যমে নির্বাচনকে অনিশ্চিত করে গণতন্ত্রের যাত্রাকে ব্যাহত করতে চাইছে। পরিবেশ এমনভাবে সৃষ্টি হয়েছে যে, এ ঘটনাই শেষ ঘটনা নয় আরও অনেক কিছুই ঘটতে পারে।
ওসমান হাদির ভাগ্যের সর্বশেষ অবস্থা নির্ণয় করা সম্ভব নয়। তবে তাঁর ভাগ্যে কিংবা হায়াতে যা-ই ঘটুক, ওসমান হাদির ওপর আততায়ী হামলার ঘটনা জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটকে একটি নতুন বিপ্লবী চিন্তাধারার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। পতিত স্বৈরাচারের সম্মিলিত শক্তি, পাচারকৃত বিপুল অর্থ ও অস্ত্র, ষড়যন্ত্রকারী আধিপত্যবাদী শক্তির উসকানি, পর্দার অন্তরালে থাকা দোসরদের নীলনকশা ও নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ ও সব রাজনৈতিক দলের জন্য এটি একটি রেড অ্যালার্ট। পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও গণতন্ত্রের শত্রুরা রাষ্ট্র ও সরকারকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে যেসব হুমকি ও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, ওসমান হাদিকে হত্যার মধ্য দিয়ে সে লক্ষ্য অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করতে চেয়েছিল তারা। তবে এটা সবার ভাবনায় রাখতে হবে যে, রাষ্ট্র ও সরকার যদি জুলাই যোদ্ধা ও অকুতোভয় কণ্ঠস্বরগুলোকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে দেশ গভীর সংকটে নিপতিত হতে বাধ্য।
বহু জল্পনা–কল্পনা ও আলোচনার পর দেশ যখন নির্বাচনমুখী ট্রেনে, ঠিক তখন নির্বাচনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থীকে আততায়ীরা বন্দুকের নলে নিশানা করল কেন—যার ফলশ্রুতিতে উত্তপ্ত পুরো দেশ। প্রশ্নের মুখে পড়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। সন্দেহ নেই, উদ্ভূত পরিস্থিতি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না হলে এটি আসন্ন নির্বাচনের জন্য অশনিসংকেত হয়ে উঠবে। নির্বাচন ও ভোট ইস্যুতে বিভিন্ন দলের মধ্যে বিভক্তি থাকলেও ওসমান হাদির ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা সব দলকে আবারও এক কাতারে এনে দাঁড় করিয়েছে—এটা একটি ইতিবাচক দিক। তবে হাদির ওপর হামলাকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির ফলে অবৈধ ও জুলাই অভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত অস্ত্রের বিষয়টি আরও শক্তভাবে সামনে এসেছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ঠিক পরদিন এমন একটি নৃশংস ঘটনা সবার মনে প্রশ্ন জাগায়—নির্বাচন কি আদৌ হবে? নাকি নির্বাচন বানচালের অপতৎপরতা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে?
তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা যখন নির্বাচনী দৌড়ে পুরোপুরি ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক তখনই ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবনসংকটের ঘটনায় নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনা নিঃসন্দেহে প্রার্থীদের আতঙ্কিত করে তুলছে। এই আতঙ্কের কারণেই বিজয় দিবসে নারায়ণগঞ্জ–৫ আসনের বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজেকে নির্বাচন থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ভয়ের ছায়া তাদের গ্রাস করছে। প্রকাশ্য দিবালোকে হাদিকে মাথায় গুলি করার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে নতুন করে আঙুল তুলেছে। আসন্ন নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে, সে উদ্দেশ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপের বিকল্প নেই। কারণ হাদির ওপর আততায়ীর হামলার ঘটনা জনপ্রতিনিধি তো বটেই, জনমনেও এক ধরনের শঙ্কা তৈরি করেছে—যা ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য অন্তরায়। ফলে জনমনে স্বস্তি ফেরাতে এ পরিস্থিতির উন্নতিই একমাত্র পথ।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার ঠিক পরদিনই এই ঘটনা বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। কারা হাদিকে কী উদ্দেশ্যে গুলি করল—সেটি যেমন প্রশ্ন, তেমনি হাদিকে হত্যাচেষ্টা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অংশ কি না, নাকি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাকে টার্গেট কিলিংয়ের জন্য এটি একটি ‘টেস্ট কেস’—সেই আলোচনাও গুরুত্বের সঙ্গে হচ্ছে। এ ঘটনার পরপরই গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান দাবি করেছেন, অন্তত ৫০ জনকে হত্যার টার্গেট করা হয়েছে। এর পেছনে অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা আছে বলেও তিনি দাবি করেছেন। ফলে দেশবাসীর মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে—এই আশঙ্কা যদি সত্য হয়, তাহলে হাদিকে হত্যাচেষ্টা কি কিছু টার্গেট কিলিংয়ের টেস্ট কেস? এর মাধ্যমে খুনিরা কী অর্জন করতে চায়? শুধুই কি নির্বাচন বানচাল করা, নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে? নির্বাচন বানচাল হলে কার লাভ, কার ক্ষতি? নির্বাচন বানচাল হলে বা দীর্ঘ সময় ঝুলে গেলে যাদের লাভ, হাদির ওপর হামলায় তাদের কোনো ইন্ধন রয়েছে কি না—নাকি রাজনৈতিক বিভক্তির সুযোগ নিয়ে তৃতীয় কোনো পক্ষ এই ঘটনা ঘটিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে? সেই তৃতীয় পক্ষ কারা, আর মাছটিই বা কারা—কী নাম তাদের? দেশি–বিদেশি কোনো শক্তি কি দেশে চরম অস্থিরতা তৈরি করে তাদের স্বার্থসিদ্ধি করতে চায়?
জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে সহিংসতা বিরাজ করছে—তার সমাধান কী? কোনো কোনো মহল মনে করছে, নির্বাচনকে ঘিরে দেশে সহিংসতা আরও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে অনেকের ধারণা, নির্বাচনকালে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটতে পারে। কারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দুইজন প্রার্থীর ওপর ইতোমধ্যে নগ্ন হামলা হয়েছে। তবে সরকার আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে পুলিশের পক্ষ থেকে সব রাজনৈতিক দলের জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল সরবরাহ করা হবে—এ মর্মে ঘোষণা দিয়েছে। রাজনৈতিক নেতা ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা কীভাবে তাদের বাসস্থান, কার্যালয়, চলাচল, জনসভা ও সাইবার স্পেসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন—সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হবে। এ ছাড়া গণ–অভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির নেতৃত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতাদের বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যারা অস্ত্র জমা দিয়েছেন, তাদের অস্ত্রও ফেরত দেওয়া হবে। এসব পদক্ষেপে সমস্যা সমাধান হবে, নাকি পরিস্থিতি আরও জটিল হবে—সেই প্রশ্নও থেকে যাচ্ছে।
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে চোরাগোপ্তা হামলা, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও নাশকতার আশঙ্কা আরও প্রবল হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। পাশাপাশি যানবাহন ও নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ করে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টাও হতে পারে—এমন আভাসও পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মাঠপর্যায়ের সদস্যদের এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। মাঠপর্যায় থেকেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে এমন আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে রাজধানীতে ৩৫২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। শুধু রাজধানীতেই নয়, ঢাকা বিভাগেও গড় হিসাবে গত বছরের তুলনায় এ বছর খুনের সংখ্যা বেশি। এর কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, দেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি। এসব ঘটনা বিশ্লেষণ করলে ধারণা করা যায়, এ ধরনের খুনের ঘটনা রোধ করা না গেলে আগামী নির্বাচনে বড় ধরনের সহিংসতা ঘটতে পারে। নির্বাচনকালীন সময়ে কালো টাকার ব্যবহার বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অনুসঙ্গ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। তাই অনেকের ধারণা, আগামী নির্বাচনও এর ব্যতিক্রম হবে না। তবে এটা সত্য, নির্বাচনী ব্যবস্থার আমূল সংস্কার প্রয়োজন। নির্বাচনে যথেচ্ছ অর্থব্যবহার রোধ করা না গেলে নির্বাচনকালীন সহিংসতা বাড়তেই থাকবে।
দেশের সামগ্রিক জননিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অত্যন্ত নাজুক ও হুমকির মুখে। যারা দেশ পরিচালনা করবেন এবং দেশকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণের কঠিন দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের সম্ভাব্য ও অবধারিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এতদিন কার্যত ফ্যাসিবাদের দোসরদের দ্বারাই পরিচালিত হয়েছে। সে ব্যবস্থার সর্বোচ্চ কাঠামো ভেঙে পড়ার পর রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভারতে পালিয়ে গেলেও তাদের সাজানো আমলাতন্ত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এখনো অনেকাংশে অক্ষত রয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা ভালো করেই জানত, হাসিনা পালিয়ে গেলে দেউলিয়া অর্থনীতি ও ভারতীয় ডিস্ট্যাবিলাইজেশন পরিকল্পনা মোকাবিলা করে দেশ চালানো কঠিন হবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেশের অর্থনীতিকে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে নেওয়ার যুদ্ধে প্রাথমিক বিজয় অর্জন করেছেন। তবে প্রধান উপদেষ্টার একার পক্ষে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। সব ধরনের নাশকতা ও ডি–স্ট্যাবিলাইজেশন দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে শত্রুর চূড়ান্ত পরাজয় ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। জুলাই যোদ্ধাদের অতন্দ্র প্রহরায় নতুন বাংলাদেশের অভিযাত্রা অপ্রতিরোধ্য। ঢাকার রাজপথে শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় জাতি যে বার্তা পেয়েছে—তা হলো ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্রকে সর্বশক্তি দিয়ে মোকাবিলা করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সবাইকে মনে রাখতে হবে, এই নির্বাচন বানচাল হলে বা দীর্ঘ সময়ের জন্য ঝুলে গেলে দেশ যে সংকটে আছে, তা আরও ঘনীভূত হবে। সুতরাং রাজনৈতিক আদর্শ, দর্শন ও কর্মসূচি ভিন্ন হলেও এই মুহূর্তে সক্রিয় সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐক্য জরুরি। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জাতীয় ঐক্যের কথা বলা হচ্ছে, তবে সেই ঐক্যে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে—তা নানা ঘটনায় স্পষ্ট। কিন্তু অন্তত হাদির এই ঘটনার পর সেই ফাটল দূর করা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের প্রত্যাশা, যথাযথ পদক্ষেপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটবে, দূর হবে আস্থার সংকট এবং দেশ এগিয়ে যাবে একটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচনের দিকে।
(লেখক: রাজনীতিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক)
ই–মেইল: [email protected]
[ আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ও শ্রদ্ধাশীল। এই বিভাগে লেখকের ‘মতামত’ একান্তই তার নিজস্ব; যার দায়ভার রিপোর্টার্স২৪ বহন করে না। ধন্যবাদ]