ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় বিজয় দিবসে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দায়ের করা মামলায় জেলা সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী আসিফ আলতাফ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. হেলাল উদ্দিনসহ ২৬ নেতাকর্মী রোববার (২১ ডিসেম্বর) জামিন পেয়েছেন।
ঘটনা ঘটে ভেলুমিয়া ইউনিয়নে, যেখানে রাজাকার বলায় বিএনপির এক কর্মীকে মারধরের অভিযোগে দুই দফা সংঘাত হয়। সংঘাতের পর দুই পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার জামায়াতের ভেলুমিয়া বাজার শাখার সভাপতি মো. মোমেনের দায়ের করা মামলায় আসিফ আলতাফ ও হেলাল উদ্দিনকে শীর্ষে রেখে ২৬ জনকে আসামি করা হয়।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) জেলা সদর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে জামিনের জন্য হাজির হওয়া ২৬ নেতাকর্মীর জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক। আদালত চত্বরে জেলা ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জামিন পাওয়ার পর আসিফ আলতাফ সাংবাদিকদের বলেন, “যে ঘটনার সঙ্গে আমরা জড়িত নই, সেই মামলায় আমাদের আসামি করা হয়েছে। এতে জামায়াতের অবস্থান পরিষ্কার হয়ে গেছে। মানুষ ওই দলকে আর বিশ্বাস করবে না।” এরপর হাজারো নেতাকর্মী তাঁকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় অফিসে মিছিল করেন।
বিএনপি নেতাদের পক্ষে জামিনের দাবি করেন সিনিয়র আইনজীবী ছালাউদ্দিন হাওলাদার, জেলা বারের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন, আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ড. আমিরুল ইসলাম বাছেদসহ একঝাঁক সিনিয়র আইনজীবী।
আদালতের অনুমোদিত জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোশারফ হোসেন শাজাহানের ছেলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসিফ আলতাফ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. হেলাল উদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইউনুছ কমান্ডার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান বাদশার ছেলে মো. হাসনাইন, ইউনুছ কমান্ডারের ছেলে ঝিলন খান, আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. টিপু, মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে মো. রাশেদ, ইস্রাফিল মাস্টার, মো. রিয়াজ, মো. আবু বকর, হাফেজ খানের ছেলে মো. নিলখান, মো. ফয়সাল, মো. নুর আলম, মিলন হাওলাদার, মো. আনোয়ার, মিলন চৌধুরী, মো. মেহেদী মাহাবুব, লিটন রাঢ়ি, বুলবুল খান, মো. সোহাগ, মো. মাহাদী, মো. স্বপন, মো. বাবুল সর্দার, স্বপন রাড়ি, মো. ইসলাম মুন্সি ও মো. ইউনুছ হাওলাদারের ছেলে মো. রবিউল।
রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা