নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরকিং ও সুখচর ইউনিয়ন সংলগ্ন মেঘনা নদীর “জাগলার চরে” আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের দুই দিন পর সামছু বাহিনীর প্রধান সামছু উদ্দিন ওরফে কোপা সামছু (৫৭) এর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে পরিবারের সদস্যরা জাগলার চরের কেওড়া বনের মধ্যে লাশটি খুঁজে পান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম। নিহত সামছু জাহাজমারা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন।
সামছুর বড় ছেলে ফখরুল ইসলাম জানান, বাবাকে খুঁজতে কয়েকজন আত্মীয়কে নিয়ে জাগলার চরে গিয়েছিলাম। বিকেলে কেওড়া বনের মধ্যে বাবার লাশ দেখতে পাই। লাশের অনেক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল, যা আমরা পুলিশকে জানিয়েছি।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে সামছুর ভাই আবুল বাশার হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ওই চরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শামছু গ্রুপ ও আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। ওই ঘটনায় আলাউদ্দিনসহ ৫ জন নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। শামছু দুই দিন নিখোঁজ ছিলেন।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি