রিপোর্টার্স স্পোর্টস ডেস্ক: বিপিএলের দ্বাদশ আসরের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। তবে সেই জয়ের রেশ ধরে রাখতে ব্যর্থ হলো দলটি। ঢাকা ক্যাপিটালসের সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী, নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা থামে মাত্র ১৩২ রানে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন রাজশাহীকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন। শুরু থেকেই সেই সিদ্ধান্তের সার্থকতা পায় ঢাকার বোলাররা। ইনিংসের প্রথম বলেই গোল্ডেন ডাক খেয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান, যা রাজশাহীর ব্যাটিংয়ে বড় ধাক্কা দেয়।
প্রথম উইকেট হারানোর পর আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ইনিংস গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। শুরুতে চাপ সামাল দিলেও বড় জুটি গড়ে তুলতে ব্যর্থ হন তারা। তানজিদ ২০ রান করে আউট হন। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা শান্ত এদিন খেলেন ৩৭ রানের ইনিংস, তবে সেটিও দলকে বড় স্কোর এনে দিতে পারেনি।
মিডল অর্ডারে মোহাম্মদ নেওয়াজ ২৬ রান করে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিলেও অন্য প্রান্ত থেকে সমর্থন না পাওয়ায় দ্রুতই চাপে পড়েন। অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম করেন ২৪ রান, কিন্তু ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তিনিও।
এরপর রাজশাহীর ব্যাটিং পুরোপুরি ছন্দ হারায়। বাকি ব্যাটারদের কেউই বিশের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় শেষ পাঁচ ওভারে আসে মাত্র ২৬ রান, ফলে সম্ভাব্য লড়াইয়ের পুঁজি গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয় দলটি।
ঢাকা ক্যাপিটালসের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন ইমাদ ওয়াসিম। তিনি ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৬ রান দিয়ে তুলে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। নাসির হোসেন নেন দুটি উইকেট। এছাড়া আরও তিনজন বোলার একটি করে উইকেট শিকার করে রাজশাহীর ইনিংস গুটিয়ে দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।
সবমিলিয়ে, শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ থাকা সত্ত্বেও ঢাকার বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারল না রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এখন দেখার বিষয়, এই লক্ষ্য তাড়া করতে ঢাকা ক্যাপিটালস কতটা সহজে জয়ের পথে হাঁটতে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম