সিনিয়র রিপোর্টার: জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি (জাপা) এবং ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা লাঙল প্রতীক চেয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জাপা সূত্র জানায়, নিবন্ধিত দলের প্রার্থী হিসেবে জি এম কাদেরের অংশের প্রার্থীরা লাঙল প্রতীক চেয়েছেন, আর ব্যারিস্টার আনিসের জাপা হাইকোর্টে চলমান মামলার নথি দেখিয়ে একই প্রতীকের জন্য আবেদন করেছে।
জি এম কাদেরের জাপা প্রার্থীরা ২৫১ আসনে মনোনয়ন ফরম নিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত কতজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তা সোমবার রাত পর্যন্ত নিশ্চিত করা যায়নি। ব্যারিস্টার আনিসের জাপাও ৮১ আসনে মনোনয়ন ফরম নেওয়ার দাবি করেছিল, তবে সব প্রার্থী দাখিল করেননি। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে দলটির কিছু সিনিয়র নেতা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর প্রত্যায়নপত্র জমা দিতে বাধ্য। ১৯৮৬ সাল থেকে জাতীয় পার্টি প্রার্থী লাঙল প্রতীকে নির্বাচন করে আসছে। দলটি ভাঙার পরও প্রতীকের মালিকানা ধরে রেখেছে। অন্য জাতীয় পার্টি দলগুলো বিভিন্ন প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেন।
জাপা দুটি অংশ নিজেদের মূলধারা দাবি করছে। জি এম কাদের অংশের প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া সমকালকে বলেন, যে কাউন্সিলের কথা ব্যারিস্টার আনিসের দল বলছে, তা অবৈধ। বৈধ এবং লাঙলের মালিক কাদেরের জাতীয় পার্টি।
অপরদিকে, ব্যারিস্টার আনিসের জাপার নির্বাহী চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, কাউন্সিল স্থগিত করার এখতিয়ার কারো নেই। তাই হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। আমাদের নথি দেখিয়ে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যদি নির্বাচন কমিশন তা বাতিল করে, আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব।
মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম চলবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। লাঙল প্রতীক সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে ৮ জানুয়ারি।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি