বাউফল প্রতিনিধি: বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটের ৩৯ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে নবীন ও শিরা বরণ এবং প্রতীকী পরিবর্তন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১২টায় বাউফল উপজেলা নার্সিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমরা চাই আজকের দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকুক। আমরা যেন আলাদাভাবে গর্ব করে বলতে পারি—বাউফল নার্সিং থেকে এসেছি। আজকের শপথের প্রতিটি বাক্য মেনে চলার চেষ্টা করবো।
তিনি আরও বলেন, নার্সরা ডাক্তারদের হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে কাজ করলেও রোগীদের একমাত্র সাহায্যকারী তারাই। রোগীর পাশে থাকতে থাকতে তারা অনেক সময় রোগী ও তার স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণের শিকার হন। বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের যেন সে বদনাম না থাকে। আগামীর দিনগুলো সুন্দরভাবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের পরামর্শও দেন প্রধান অতিথি।
ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মরিয়ম বেগম তার বক্তব্যে ইনস্টিটিউটের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ২০২১ সালে ভবনের অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়। ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শুভ উদ্বোধন হয় এবং ১ জুলাই শিক্ষার্থীদের ভর্তি শুরু হয়ে ক্লাস কার্যক্রম চালু হয়। আইবাস না থাকার কারণে প্রতিষ্ঠানটি সরকারি আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অদ্যাবধি ৩টি ব্যাচে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১০ জন। কিন্তু এখানে পরিপূর্ণ জনবল না থাকায় মাত্র দুইজন শিক্ষক নিয়ে ইনস্টিটিউটটি চলছে নড়বড়ে অবস্থায়। শিক্ষার্থীরা এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি আর্থিক অনুদান পাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে শিক্ষার্থীরা দাবি জানিয়েছেন, যাতে বাউফল নার্সিং ইনস্টিটিউটে পাঠদান ব্যাহত না ঘটে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুর রউফ, সহকারী অধ্যাপক আবদুল বারী সরকার, সহকারী অধ্যাপক অহিদুজ্জামান সুপন ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ শতাধিক নার্সিং শিক্ষার্থী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্সিং ইনচার্জ মিনারা বেগম শিক্ষার্থীদের ক্যাপ ও ব্যাজ পরিয়ে দেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন