স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে শনিবার বাংলাদেশ তাদের প্রথম ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়। ম্যাচ শুরুর আগে টসে হ্যান্ডশেক না হওয়ার কারণে ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনার জন্ম দেয়। বিষয়টি নিয়ে শনিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, টসের সময় হ্যান্ডশেক না হওয়া ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত এই যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের নিয়মিত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার স্থলে টসের দায়িত্ব নেন সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার। বিসিবি জানিয়েছে, এই সময় মনোযোগের সাময়িক ঘাটতির কারণে হ্যান্ডশেক হয়নি, এবং এর মধ্যে কোনো ধরনের অসম্মান বা প্রতিপক্ষকে অবজ্ঞা করার উদ্দেশ্য ছিল না।
বিসিবি আরও উল্লেখ করেছে, ক্রিকেটের চেতনা ও প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন বাংলাদেশের যে কোনো স্তরের দলের জন্য মৌলিক শর্ত। বোর্ড বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে এবং সঙ্গে সঙ্গে টিম ম্যানেজমেন্টকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে।
তাছাড়া খেলোয়াড়দের সব ধরনের প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ ক্রীড়াসুলভ আচরণ, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার বিষয়টি পুনরায় স্মরণ করানো হয়েছে। বিসিবি স্পষ্ট করেছে যে, মাঠে ও মাঠের বাইরে ক্রিকেটের মূল্যবোধ রক্ষা করা তাদের মূল অঙ্গীকার।
এই ঘটনার পর বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দল ক্রিকেটবিশ্বের নজরে এসেছে, যেখানে বোর্ডের দ্রুত ও স্পষ্ট ব্যাখ্যা ম্যাচের খেলার পরিপ্রেক্ষিতকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করছে। এমন পরিস্থিতিতে ক্রীড়াবিদদের মনোযোগ, শৃঙ্খলা ও আন্তরিকতা বজায় রাখার গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক আসরে হ্যান্ডশেক, শুভেচ্ছা বিনিময় ও ভদ্র আচরণ ক্রীড়া সংস্কৃতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিসিবি আশা করছে, এই ব্যাখ্যা ও নির্দেশনার মাধ্যমে খেলোয়াড়রা ভবিষ্যতে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রতিপক্ষের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করবে এবং দেশের ক্রীড়া মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখবে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি