রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে কেবল প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, বরং সমাজভিত্তিক শক্ত আন্দোলন গড়ে তোলাই সবচেয়ে কার্যকর পথ এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা আব্বাস।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘ফ্রিল্যান্সিং—দ্য ফিউচার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর একটি হটলাইন চালু করে মাত্র দুই মাসের মধ্যেই চাঁদাবাজি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু সেই হটলাইন বন্ধ করে দেওয়ার পর রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের একটি অংশ আবার এই অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, চাঁদাবাজি এখন একটি প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে, যা দমনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভর করলে হবে না। জনগণকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, তবেই এই ব্যাধির মূল উপড়ে ফেলা সম্ভব।
মাদক প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, মাদক এখন সারা দেশের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই দুটি অর্জনকে এক করে দেখার প্রয়োজন নেই। দুটিই আলাদা আলাদা ঐতিহাসিক গৌরব, দুটোর তাৎপর্য ভিন্ন।
ব্যক্তিগত অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন বিএনপির এই প্রবীণ নেতা। তিনি বলেন, আমি এখন জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি। নেওয়ার কিছু নেই, দেওয়ার আছে সব। মানুষের সেবায় নিজের সবটুকু উৎসর্গ করাই এখন আমার একমাত্র লক্ষ্য।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম