রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: হজযাত্রীদের মক্কা ও মদিনায় বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সৌদি আরবের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব হজযাত্রীর জন্য আবাসন নিশ্চিত করা যাবে না, তারা পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পাবেন না।
এই প্রেক্ষাপটে আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে লিড এজেন্সিগুলোকে তাদের অধীন সব হজযাত্রীর মক্কা ও মদিনার বাড়ি ভাড়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি ৩০টি লিড এজেন্সির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ থেকে সরকারি ও বেসরকারি এই দুই ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা সৌদি আরবে যাবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী ৩০টি লিড এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালন করবেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবাসন নিশ্চিত করতে না পারায় সৌদি হজ ও উমরা মন্ত্রণালয় বারবার তাগাদা দিচ্ছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।
গত ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত জুম সভায় সৌদি হজ ও উমরা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক বাংলাদেশের অগ্রগতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য মক্কা-মদিনায় বাড়ি ভাড়ার অগ্রগতি অত্যন্ত ধীরগতির। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব হজযাত্রীর আবাসন সম্পন্ন হবে না, তারা হজ পালন করতে পারবেন না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের জন্য সরকারি হাসপাতাল থেকে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার সময়সীমা বাড়িয়ে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।
সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, হজে যেতে হলে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পাশাপাশি মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদিত ৮০টি টিকাকেন্দ্রের তালিকা আগেই প্রকাশ করা হয়েছে।
আবাসন ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত শর্ত পূরণে বিলম্ব হলে হজযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। এমন বাস্তবতায় সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম