স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও ঢাকা-১৭ আসনে দলটির নির্বাচনি পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, রাজধানীর কড়াইল বস্তি এলাকার বহুবিধ সমস্যা সমাধান সম্ভব একমাত্র পথ হলো—তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করা।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বনানীর কড়াইল বস্তির বউবাজার এলাকায় মায়ের দোয়া বিদ্যানিকেতনের সামনে অনুষ্ঠিত পথসভায় তিনি বলেন, এই এলাকায় ঘিঞ্জি বসতি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অপরাধের মাত্রা অত্যন্ত বেশি। কখনো কখনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। এসব সমস্যা সমাধান এখন প্রশাসন শুনবে না, কারণ আমরা সরকারে নেই। তবে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে প্রশাসন বাধ্য হবে আমাদের কথা শোনার জন্য। তখন এই সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে।
আব্দুস সালাম আরও বলেন, ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়া মানে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে অংশ নেওয়া। আপনারা কি চান না, আপনার ভোটের মাধ্যমে আপনার সন্তান, পরিচিত মানুষ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হোন? তিনি ক্যান্টনমেন্ট, বনানী ও গুলশান এলাকায় বেড়ে উঠেছেন। আপনারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার মতো নেতাদের দেখেছেন, এবার দেখবেন তারেক রহমানকে। প্রধানমন্ত্রী হলে কড়াইল বস্তির মানুষের কল্যাণের জন্য বিশেষভাবে নজর দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনি কার্যক্রমের শুরুতেই তারেক রহমান এলাকার মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেছেন, তাদের সমস্যা মনোযোগসহ শুনেছেন এবং সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সালাম বলেন, আপনাদের জন্য আবাসন সমস্যা সমাধান করা হবে, ঘর বানিয়ে দেওয়া হবে, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ঘর যদি আপনার নিজের হয়, তাহলে আর অন্যকে ভাড়া দিতে হবে না বা চাঁদা দিতে হবে না। এতে ধীরে ধীরে মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম আরও হুঁশিয়ারি দেন, বিএনপি সরকারে এলে আপনারা আর ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। কেউ চাঁদাবাজি করতে পারবে না। যারা দুষ্ট কার্য করবে, তাদের আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে নির্বাচনি এলাকার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে এবং সব সমস্যার সমাধান ত্বরান্বিত হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, ইউনিট সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আলমসহ ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির নেতৃবৃন্দ। পথসভায় অংশগ্রহণকারীরা তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবং এলাকার উন্নয়নের আশ্বাসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।