রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ৯ম পে-স্কেল ও সাত দফা দাবির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় আয়োজিত এই সমাবেশে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক মন্তব্য প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান।
বক্তারা অভিযোগ করেন, “গত সাত বছর ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরও সরকার কর্মচারীদের দাবি আমলে নিচ্ছে না। ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশের পর ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি। ২১ জানুয়ারি কমিশন রিপোর্ট প্রদানের পরও গেজেট প্রকাশ না করে সময় নষ্ট করা হচ্ছে।”
কর্মচারীরা দাবি করেছেন, বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৪ এর ভিত্তিতে ১২টি গ্রেডে সর্বনিম্ন ৩৫,০০০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১,৪০,০০০ টাকা বেতন নির্ধারণ করা হোক। এছাড়া ২০১৫ সালের পে-স্কেলে হরণকৃত তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বেতন জ্যেষ্ঠতা রক্ষা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশন প্রবর্তন, গ্রাচুইটির হার ১০০ শতাংশ নির্ধারণ এবং অন্যান্য কর্মচারী কল্যাণমূলক দাবিও আদায়ের আবেদন জানানো হয়েছে।
সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতি, সুপ্রীম কোর্ট কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদসহ জোটভুক্ত ৩৫টিরও বেশি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ শেষে ঘোষণা করা হয়েছে, আগামী ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নিজ নিজ দপ্তরের সামনে ২ ঘণ্টা অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন হবে। দাবিগুলি না মানা হলে ৬ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা