কুমিল্লা প্রতিনিধি: আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, চৌদ্দগ্রামের মানুষের প্রতি আমার অগাধ আস্থা ও ভালোবাসা রয়েছে। ২০০১ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর আমার মূল লক্ষ্য ছিল এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক শান্তি বজায় রাখা। মানুষ সেই কাজের মূল্যায়ন করেছেন। দলীয় সমর্থনের বাইরেও জনগণ ব্যক্তি হিসেবে আমাকে সমর্থন করছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চৌদ্দগ্রামের দক্ষিণ শ্রীপুর ঈদগাহ মাঠে তার নির্বাচনী সমাবেশে জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, চৌদ্দগ্রামের ইউপির সাবেক চেয়ারম্যানদের প্রায় সবাই আমাকে সমর্থন দিয়েছেন। ইতমধ্যে কয়েকশ ভোটারের সঙ্গে আমরা সভা করেছি। ভোটের মাঠে জনমত আমাদের পক্ষেই দেখছি। বিএনপির একটি বড় অংশও সমর্থন জানাচ্ছে, অনেকে প্রকাশ্যে আবার অনেকে অপ্রকাশ্যে। নারীদের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ সমর্থন প্রদর্শন করছে।
তাহের বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু এমপি নির্বাচন নয়, এটি বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। অতীতে সরকার গঠনের সময় যে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি হয়েছিল, তা এবার বন্ধ করতে হবে। দলীয় পরিচয়ের বাইরে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম নেতা নির্বাচিত হোক।
এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কামরুল হুদাও প্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তবে দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতিতে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচনী অভিজ্ঞতা থাকা কারণে তাহেরকে এই আসনে ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গুণবতী ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর ঈদগাহ মাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেন স্থানীয় ও উপজেলার নেতারা। উপজেলা জামায়াতের আমির মু. মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপচারিতায় বলেন, তাহেরের গ্রহণযোগ্যতা চৌদ্দগ্রামে দলীয় গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ তাঁর অতীত কাজ, সততা ও ব্যক্তিত্বের কারণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াচ্ছেন। এবারের নির্বাচনে ভোটাররা ব্যক্তিত্বকে প্রাধান্য দেবেন।
শ্রমজীবী, নারী, এবং গ্রামভিত্তিক ভোটারদের উপস্থিতি সমাবেশে চোখে পড়ার মতো ছিল। জোট প্রার্থী আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আশা প্রকাশ করেছেন, চৌদ্দগ্রামের ১৪ ইউনিয়নেই ভোটের ব্যবধান প্রথমবারের মতো তার পক্ষে যাবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি