রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে অচলাবস্থা নিরসনে প্রয়োজনে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সংলাপে বসতে প্রস্তুত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, সুযোগ এলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গেও সরাসরি বৈঠক করতে ইচ্ছুক ট্রাম্প।
তবে কূটনৈতিক আগ্রহ দেখালেও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান যে কঠোর ও অপরিবর্তিত- তা স্পষ্ট করেছেন রুবিও। তার ভাষায়, ইরানকে কখনও পরমাণু অস্ত্রধারী হতে দেওয়া হবে না। ইরানের হাতে পরমাণু বোমা পৌঁছালে তা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো নিয়েও ব্যাখ্যা দেন রুবিও। তিনি জানান, অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে ইরানের হামলার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখেই প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। তবে এর উদ্দেশ্য সংঘাত উসকে দেওয়া নয়, বরং সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধ।
এদিকে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা হয়েছে মার্কিন রণতরী USS Abraham Lincoln। পাশাপাশি দ্বিতীয় রণতরী USS Gerald R. Ford-কে পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন বাহিনী। প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পেলে অভিযানে নামার প্রস্তুতিও রয়েছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে ওমানে এক দফা আলোচনা হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে আবারও ওমানে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সম্ভাব্য যে কোনো বৈঠক সংঘাত প্রশমনের লক্ষ্যে হলেও, ইরানের দাবির মুখে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রশ্নে আপাতত নমনীয় হচ্ছে না ওয়াশিংটন।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে