কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়া-মোনাজাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারণ না হওয়াকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
মোনাজাত শেষে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা এ ঘটনাকে অবমাননা উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং দফায় দফায় বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে ঘিরে ফেলে তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তোলেন। এ সময় ধাক্কাধাক্কি ও হট্টগোলের এক পর্যায়ে ভিসিকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে।
(২১ফেব্রয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব আশরাফ উদ্দিন খান। তবে মোনাজাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ না করায় উপস্থিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিক ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং প্রতিবাদ শুরু করেন।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ইমাম সাহেব অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি, তিনি কখনোই জিয়ার নাম বাদ দেন না। এটি বিশ্ববিদ্যালয় উদযাপন কমিটি ও প্রশাসনের ইচ্ছাকৃত কারসাজি বলে আমরা মনে করি।
এ বিষয়ে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর প্রফেসর ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, আমরা নিজেরাও জিয়ার আদর্শের সৈনিক। ইমাম সাহেব ভুলবশত নাম উল্লেখ করেননি। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রতিবাদ জানানোর পর ইমাম সাহেব ভুল স্বীকার করে পুনরায় মোনাজাত করেছেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এবং দ্বিতীয়বার
মোনাজাত সম্পন্ন হওয়ার পর পরিবেশ শান্ত হয়।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু