স্টাফ রিপোর্টার: ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ‘নেপথ্যের’ কারণ এখন দেশের মানুষের কাছে ‘বোধগম্য’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোই হোক শহীদ সেনা দিবসের অঙ্গীকার।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে আজ পুনরায় সেই শপথে বলিয়ান হতে হবে।
২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হওয়ার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “২০০৯ সালের পর এই দিনটি যথাযথ গুরুত্ব সহকারে পালন করা হয়নি। ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, আজকের এ বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান থাকায় বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল নাগরিক হিসেবে বিষয়টি আমাদের উপলব্ধিতে থাকা জরুরি।
তিনি অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের পর নানা মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে তার ভাষ্য, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জনগণের কাছে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ এখন বোধগম্য।”
শহীদ সেনা দিবসের প্রেক্ষাপটে দেওয়া এ বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম