স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডকে ‘ষড়যন্ত্র’ ও ‘অপপ্রচার’ বলে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। দুর্বল ব্যাংক পুনরুদ্ধার এবং একীভূতকরণ (মার্জার) প্রক্রিয়া ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এমন কর্মকাণ্ড হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
বুধবার দুপুরে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, দেশের ৭৬ লাখ আমানতকারীর স্বার্থ রক্ষায় সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩২ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে। তবে কিছু কুচক্রী মহল ব্যাংক উদ্ধারের এ কার্যক্রম ব্যর্থ করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
গভর্নর আরও জানান, দুর্বল ব্যাংক পুনরুদ্ধার ও একীভূতকরণ কোনো কর্মকর্তা বা স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের বিষয় নয়, এটি রাষ্ট্রীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত। ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে শৃঙ্খলা অপরিহার্য। যারা অপপ্রচারে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে শোকজ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শোকজের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে।
আহসান মনসুর বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তার অধিকার নেই সরকারি নীতিগত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার। আমাদের মূল লক্ষ্য আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল রাখা। তিনি আরও বলেন, পদত্যাগ কোনো ইস্যু নয়। “আমি এখানে চাকরি করতে আসিনি, সেবা দিতে এসেছি। প্রয়োজন হলে দুই সেকেন্ডের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারি। তবে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গভর্নর প্রতিশ্রুতি দেন, ভবিষ্যতেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ব্যাংকে থাকবে এবং এটি নতুন কোনো বিষয় নয়। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেও এ ধরনের নিয়োগ বিদ্যমান। তিনি উল্লেখ করেন, একটি ‘কুচক্রী মহল’ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ব্যর্থ করতে চায় যাতে ভবিষ্যতে ব্যাংকগুলো আবার আগের মালিকদের হাতে ফিরে যায়।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি