ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চার বছরের শিশু তাবাচ্ছুম হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আবু তাহেরকে আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যায় ব্যবহৃত লুঙ্গি ও নিহত শিশুর স্যান্ডেল।
শুক্রবার দুপুরে কালীগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুর লাশ উদ্ধারের পর তারা তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর প্রতিবেশী যুবক আবু তাহেরের অবস্থান শনাক্ত করে কুষ্টিয়া থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী উপজেলার রায়গ্রাম এলাকার চিত্রা নদীর পাড় থেকে শিশুর ব্যবহৃত একটি স্যান্ডেল এবং নদীর ভেতর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নিখোঁজের একদিন পর চার বছরের শিশু তাবাচ্ছুমের বস্তাবন্দি লাশ একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের পিতা নজরুল ইসলাম।
এদিকে হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে নিহত শিশুর গ্রামের বাড়ি মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা বাজারে। কর্মসূচিতে নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী অংশ নেন। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহফুজ আফজাল বলেন, শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে অভিযুক্ত আবু তাহের। শিশুটির পিতার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন