জামালপুর প্রতিনিধি: দেশের অর্থ বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। তার মধ্যে প্রটোকলে গাড়ির সংখ্যা কমানো অন্যতম। সরকারি নিয়মানুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ১৪টি গাড়ি থাকার কথা থাকলেও সরকারি ব্যয় কমাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাত্র ৪টি গাড়ি নিয়ে চলাচল করছেন। কিন্তু তার ঠিক বিপরীত চিত্র দেখেছে জামালপুরবাসী।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ডজনখানেক গাড়ি জামালপুরে আসেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, জামালপুর-২ আসনের এমপি এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। সকাল সোয়া ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
এ সময় তিনি বলেন, ওয়েজ বোর্ড, সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কথা বলা হয়। সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে—এমন বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করবেন না বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আসুন আমরা সকলে মিলে দেশটা গড়ার কাজে অংশ নিই। প্রত্যেকটি জায়গা ভঙ্গুর, প্রত্যেকটি জায়গা নষ্ট হয়েছে, প্রত্যেক জায়গা দুর্নীতিতে সয়লাব হয়েছে—ইতোমধ্যে বিস্তর দুর্নীতি হয়েছে। সেই ক্ষতি পূরণ করতে হলে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
জামালপুরের জেলা প্রশাসক ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, প্রেসক্লাব জামালপুরের সভাপতি মুখলেছুর রহমান লিখন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলার বিষয়ে আপত্তি নেই। কিন্তু ইয়েলো জার্নালিজম যেন না হয়। এতে দেশের, এলাকার ও মানুষের ক্ষতি হয়।
পরে তিনি গাড়িবহর নিয়ে নিজ নির্বাচনী এলাকা জামালপুর-১ দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় তার গাড়িবহরে দুটি পুলিশের পিকআপ ভ্যান ও প্রায় ছয়টি গাড়ি ছিল, যেটিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমের উল্টো বলে সমালোচনা করেছেন সাধারণ মানুষ।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন