ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘এক ভয়াবহ সন্ত্রাস ও শক্তির দেশ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের চলমান সামরিক অভিযানকে সমর্থন করে তিনি বলেন, গত ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে সহিংস এই শাসনব্যবস্থাকে গুঁড়িয়ে দেওয়া এখন সময়ের দাবি ছিল এবং এটি আরও আগেই করা উচিত ছিল।
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প কেনেডি সেন্টারের বোর্ড মিটিং শুরুর আগে দেওয়া বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি। সেখানে ট্রাম্প ইরানের ঐতিহাসিক হুমকি এবং বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে এ হামলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, গত ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে সহিংস ও নিষ্ঠুর এই দেশটিকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পেতে দেওয়া যাবে না। কারণ তেমনটা হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংস হয়ে যাবে।
তিনি আরও যোগ করেন, ‘নিঃসন্দেহে ইসরায়েল প্রথমে আক্রান্ত হবে। আর আমরা পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আগেই তারা নিশ্চিতভাবে আমাদের ওপর আঘাত হানবে। তাই ইরানকে কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া যায় না, যারা প্রকৃতপক্ষে এক ভয়ানক সন্ত্রাস ও শক্তির দেশ।’
ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান হাজার হাজার মিসাইল ও ড্রোনের মাধ্যমে এক বিশাল শক্তি তৈরি করেছিল। তবে তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী এখন সেই শক্তির সিংহভাগই নির্মূল করে দিয়েছে।
এখন পর্যন্ত সামরিক ও বাণিজ্যিকসহ মোট ৭,০০০-এর বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে বলে জানান তিনি। ফলে ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ এবং ড্রোন হামলার ঘটনা প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন।
খার্গ দ্বীপে তেলের পাইপগুলো ছাড়া বাকি সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও বলেন, ৫ মিনিটের নোটিশে ওই পাইপগুলোও উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব