রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: একদিকে ব্যক্তিগত ইতিহাস, অন্যদিকে দলের হতাশা—দুটি ভিন্ন অনুভূতির দিন কাটালেন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। পেশাদার ক্যারিয়ারে ৯০০তম গোলের অনন্য মাইলফলক ছুঁয়েও দলকে টুর্নামেন্টে টিকিয়ে রাখতে পারলেন না তিনি।
কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ইন্টার মিয়ামি মুখোমুখি হয়েছিল ন্যাশভিল এসসি-এর। ম্যাচের শুরুতেই, সপ্তম মিনিটে মেসির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় মিয়ামি। বক্সের ভেতরে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে নিচু শটে করা সেই গোল যেন আরেকটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকে।
তবে ম্যাচের বাকি সময়টা হয়ে ওঠে হতাশার। ৭৪ মিনিটে গোল হজম করে সমতায় ফেরে মিয়ামি। শেষ পর্যন্ত ১-১ ড্র হলেও অ্যাওয়ে গোলের নিয়মে এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় ন্যাশভিল, আর বিদায় নিতে হয় মিয়ামিকে।
প্রথম লেগে গোলশূন্য ড্র করার পর দ্বিতীয় লেগেও সমতায় আটকে যায় মিয়ামি। কিন্তু প্রতিপক্ষের মাঠে করা গোলই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেয়। ন্যাশভিলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলটি করেন ক্রিস্টিয়ান এসপিনোজা।
পুরো ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়েই ছিল মিয়ামি। প্রায় ৫৯ শতাংশ বল দখলে রেখে তারা ৯টি শট নেয়, যার ৬টিই ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে ন্যাশভিল মাত্র ৩টি শট নেয়, আর তার একটি থেকেই আসে কাঙ্ক্ষিত গোল।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন মেসি, কিন্তু প্রতিপক্ষের দৃঢ় রক্ষণে আটকে যায় সেই প্রচেষ্টা। ফলে ব্যক্তিগত সাফল্যের দিনেও দলীয় ব্যর্থতার তিক্ততা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
তবুও মেসির ৯০০ গোলের মাইলফলক বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে। কিংবদন্তি বাস্কেটবল তারকা ম্যাজিক জনসন সামাজিক মাধ্যমে এই অর্জনকে “অবিশ্বাস্য” বলে উল্লেখ করেছেন। এমনকি প্রতিপক্ষ কোচ বেজি কালাঘান-ও মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, “৯০০ গোল করা সত্যিই অসাধারণ, সে সেরাদের সেরা।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম