আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন,যদি তারা ইউক্রেনের সঙ্গে সব ধরনের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করে, তাহলে রাশিয়াও ইরানের সঙ্গে একই ধরণের তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করবে।
পলিটিকো ইউরোপের প্রতিবেদনে জানা যায়, পুতিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিয়েভ গত সপ্তাহে ফ্লোরিডার মায়ামিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসন প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু এটি ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তাদের আশঙ্কা, পুতিন ন্যাটো জোটের মধ্যে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করছেন। এক ইউরোপীয় কর্মকর্তা এই প্রস্তাবকে “অত্যন্ত অযৌক্তিক” বলে উল্লেখ করেছেন।
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে, যা এখনও চলমান এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাতে পরিণত হয়েছে। সংঘাত শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অর্থ দিয়ে কিয়েভকে সমর্থন দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরান রাশিয়াকে সামরিক সরঞ্জাম যেমন শাহেদ ১৩৬ ড্রোন সরবরাহ করছে।
ইউক্রেন সংঘাতের মাঝেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক হামলা চালায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। তৎপরতায় হরমুজ প্রণালী প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে কার্যত বন্ধ রয়েছে, যা বৈশ্বিক এলএনজি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ তেলের পরিবহন রোধ করেছে।
এদিকে ট্রাম্প ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটোকে সমালোচনা করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জোটটি “কাগুজে বাঘে” পরিণত হবে। তিনি অভিযোগ করেন, মিত্র দেশগুলো ইরানকে প্রতিহত করতে যথাযথ সহযোগিতা করছে না এবং হরমুজ প্রণালী খোলার ক্ষেত্রেও উদ্যোগ নিচ্ছে না। ট্রাম্প বলেন, এটি একটি সহজ সামরিক পদক্ষেপ, ঝুঁকি কম এবং মিত্ররা এ বিষয়ে অনিচ্ছুক ,যা বৈশ্বিক তেলের দাম বাড়ানোর মূল কারণ।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি