আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কাতারের জলসীমায় একটি সামরিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ রয়েছেন, যার খোঁজে কাতারের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রণালয় বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটি একটি “সাধারণ দায়িত্ব পালনকালে” প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বিধিবদ্ধ এলাকায় পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় কোনো শত্রু হামলার প্রমাণ নেই।
নিহতদের মধ্যে আছেন কাতার সশস্ত্র বাহিনীর ক্যাপ্টেন মুবারক সালেম ডাওয়াই আল-মাররি, সার্জেন্ট ফাহাদ হাদি ঘানেম আল-খায়ারিন, কর্নেল মোহাম্মদ মাহের মোহাম্মদ, কাতার-তুরস্ক যৌথ বাহিনীর মেজর সিনান টেস্টেকিন, এবং তুর্কি নাগরিক সুলেমান সেমরা কাহরামান ও ইসমাইল আনাস ক্যান। নিখোঁজ রয়েছেন কাতার সশস্ত্র বাহিনীর ক্যাপ্টেন সাঈদ নাসের সামেখ।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন। তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানায়, দুর্ঘটনায় একজন তুর্কি সৈনিক ও দুই জন তুর্কি প্রতিরক্ষা সংস্থা আসেলসানের কর্মী নিহত হয়েছেন।
এই দুর্ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির সময় ঘটেছে। ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর কাতার ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করছে। সম্প্রতি ইরানি হামলায় কাতারের রাস লাফান শিল্প শহর, দেশটির প্রধান প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) রপ্তানি ক্ষমতার ১৭ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে, যার বার্ষিক ক্ষতির আনুমানিক মূল্য ২০ বিলিয়ন ডলার।
কাতার কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নির্ধারণে তদন্ত চালাবে বলে জানিয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি