আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) শনিবার বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যালুমিনিয়াম শিল্প স্থাপনাগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে যে কারখানাগুলোকে নিশানা করা হয়েছে, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রি সামরিক উপস্থিতির সঙ্গে যুক্ত। হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা ইরানকে লক্ষ্য করে মার্কিন ও ইসরায়েলি আক্রমণের জবাব।
বাহরাইনের অ্যালুমিনিয়াম বাহরাইন (Alba) জানিয়েছে, হামলায় দুটি কর্মী আহত হয়েছেন। আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়াম (EGA) জানিয়েছে, আবুধাবির একটি কারখানায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং ছয়জন আহত হয়েছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়ামের মোট সরবরাহের প্রায় ৪–৯ শতাংশ এই অঞ্চল থেকে আসে। তাই হামলা বৈশ্বিক সরবরাহকে গুরুতর হুমকির মুখে ফেলে।
ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় বাহরাইন ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলো নিয়মিতভাবে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে এসেছে।
ওমানের সালালাহ বন্দরে শনিবার এক ড্রোন হামলায় একজন কর্মী আহত হয়েছেন। ড্যানিশ কন্টেইনার শিপিং গ্রুপ মেরস্ক জানিয়েছে, হামলার পর তারা ওই বন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গত কয়েক ঘণ্টায় ১০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ডও চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
আল জাজিরার বিশেষজ্ঞ জেইন বসরাবি বলেছেন, যদি ইরান এই হারে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়, তাহলে এটি খুবই উদ্বেগজনক। কারণ ইরানের ওপর হামলার সংখ্যা বেড়েই চলেছে এবং সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে। উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা জিসিসি অঞ্চলেও উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে। আল জাজিরা
রিপোর্টার্স২৪/এসসি