রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পারকিনসন রোগ-এর রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত রোগ শনাক্ত ও সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে এই রোগের ঝুঁকি ও জটিলতা অনেকটাই কমানো সম্ভব।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ-এ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বিশ্ব পারকিনসন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে আলোচনা সভার পাশাপাশি একটি বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী আয়োজনে চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আব্দুল মোমেন খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. এটিএম সোলাইমান কবির। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. মুহাম্মদ আক্তার হোসেন।
প্রবন্ধে তিনি পারকিনসন রোগসহ বিভিন্ন স্নায়বিক সমস্যার লক্ষণ, প্রতিরোধ এবং আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি জানান, এই রোগটি মূলত এক ধরনের নিউরো-ডিজেনারেটিভ বা স্নায়ু-অধঃপতনজনিত রোগ, যা মস্তিষ্কের ডোপামিন উৎপাদনকারী কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে হয়ে থাকে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. রাজেশ সাহা, ডা. নাজমুল ইসলাম জয় ও ডা. নাজমুল আলম। এছাড়া রেজিস্ট্রার ডা. সিবাত আমিন খলিল এবং সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. আবু ইসহাক ও ডা. মৌসুমি ইসলাম উর্মিও অংশ নেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, পারকিনসন রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে কাঁপুনি, চলাফেরায় ধীরগতি, পেশির শক্ত হয়ে যাওয়া এবং ভারসাম্যহীনতা অন্যতম। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।
তারা আরও বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি, সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে রোগীদের জীবনমান উন্নত করা সম্ভব।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম