স্টাফ রিপোর্টার: ভোটের শতাংশ অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় জোট পাচ্ছে মোট ১৩টি সংরক্ষিত আসন। এর মধ্যে ১১টি আসনে নিজেদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জামায়াতে ইসলাম ।
এ তথ্য নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি এবং প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিএনপি বা অন্য কোনো সংগঠনের মতো ঘটা করে মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে না বরং দলের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া ও মতামত বিবেচনা করে সংরক্ষিত নারী আসনের ১১ জন প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাকি দুটি আসনের মধ্যে একটি এনসিপি, অন্যটি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ জোটের অন্য শরিকদের নিয়ে আলোচনা চলছে।
যারা পাচ্ছে দলীয় মনোনয়ন এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবার জাতীয় নির্বাচনে যারা এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তাদের পরিবারের কেউ সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাবেন না। সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম এমন যোগ্য প্রার্থীদের বিবেচনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে ২০০১-২০০৬ সালে যারা নারী সংরক্ষিত আসনে যারা সদস্য ছিলেন, মহিলা কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বে মধ্যে যারা ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রী সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের নেত্রী ছিলেন এবং ফ্যাসিবাদ সময়কালে ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদে ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত জামায়াত মনোনীত ৩৬ জন সদস্য ।
আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন হবে। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। সে অনুযায়ী যার মধ্যে বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্ররা মিলে একটি সংরক্ষিত আসন পাবে বলে জানিয়েছেন ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ।
রিপোর্টার্স২৪/ফয়সাল