রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দাম্পত্য জীবনে ঝগড়া-বিবাদ থাকলেও অনেক সম্পর্কই টিকে যায় দীর্ঘদিন। এর পেছনে কাজ করে কিছু ইতিবাচক অভ্যাস। এমনই চারটি কার্যকর অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আর্থার ব্রুকস, যা দাম্পত্য সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও সুখী করতে সহায়ক।
একসঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানো
বিশেষজ্ঞদের মতে, দাম্পত্য জীবনে আনন্দ ভাগাভাগি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একসঙ্গে হাসি-ঠাট্টা, ঘোরাঘুরি কিংবা ছোট ছোট সুখের মুহূর্ত তৈরি করলে সম্পর্কের বন্ধন মজবুত হয়। আর্থার ব্রুকস বলেন, যত বেশি সুখের স্মৃতি তৈরি হবে, তত কম হবে অভিযোগ ও দূরত্ব।
চোখে চোখ রেখে কথা বলা
বর্তমান সময়ে ডিজিটাল ডিভাইসের কারণে মুখোমুখি যোগাযোগ কমে গেছে। অথচ একটি সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখতে চোখে চোখ রেখে কথা বলা খুবই জরুরি। এতে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ে এবং সম্পর্কের গভীরতা তৈরি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এমন যোগাযোগ শরীরে ‘অক্সিটোসিন’ হরমোন বাড়ায়, যা ভালোবাসা ও বন্ধনকে শক্তিশালী করে।
শারীরিক স্নেহ প্রকাশ
দাম্পত্য সম্পর্কে শারীরিক স্নেহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হাত ধরা, আলিঙ্গন কিংবা ভালোবাসার স্পর্শ মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এটি স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে সম্পর্ককে আরও স্বস্তিদায়ক করে তোলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত এই ধরনের স্নেহ প্রকাশ সম্পর্কের উষ্ণতা বজায় রাখে।
একসঙ্গে প্রার্থনা বা ধ্যান
একসঙ্গে প্রার্থনা বা ধ্যান করার অভ্যাস দম্পতিদের মানসিকভাবে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে। এতে পারস্পরিক সংযোগ বৃদ্ধি পায় এবং সম্পর্কের মধ্যে একধরনের শান্তি ও ভারসাম্য তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এসব অভ্যাস রাতারাতি পরিবর্তন আনবে না, তবে নিয়মিত চর্চা করলে ধীরে ধীরে সম্পর্ক আরও গভীর, স্থিতিশীল ও অর্থবহ হয়ে উঠবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম