স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর শাহবাগ থানায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ঢুকে ‘মব’ সৃষ্টি করেছে এবং এ সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ। তিনি এ ঘটনাকে ‘ফ্যাসিবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ’ বলেও মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, একটি ভুয়া ফটোকার্ডকে কেন্দ্র করে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে থানায় গিয়ে সহিংস পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। তার দাবি, এ ঘটনায় ডাকসুর নেতাদের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে এবং পুলিশ সেখানে নীরব ভূমিকা পালন করেছে।
এস এম ফরহাদ অভিযোগ করে বলেন, থানায় জিডি না নিয়ে, ভুক্তভোগীদের অপেক্ষায় রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এনে পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, শাহবাগ থানায় হামলার ঘটনা ইতিহাসের ‘ন্যাক্কারজনক অধ্যায়’। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশীশক্তির রাজনীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
এর আগে শাহবাগ থানায় ডাকসুর দুই নেতা এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পরে তাদের থানার ভেতরে আটকে রেখে মারধর করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
রাত ৮টার দিকে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক জুবায়ের ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান নূর আলভিও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শাহবাগ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি