ডেস্ক রিপোর্ট : গত কাল ৪ মে ফলাফল ঘোষনার পরেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক মানচিত্রে ক্ষমতার রতবদলের ঝড় বইছে। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে বড় জয় পেয়ে তিহাস গড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি।ফলপ্রকাশের পরে্বেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করে জানিয়েছে, আগামী ৯ মে নতুন সরকার গঠনের জন্য শপথ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ।
এখন প্রশ্ন উঠেছে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নতুন মুখ্যমন্ত্রী হবেন কে? ভারতীয় আনন্দ বাজার পত্রিকা জানায়, ফলপ্রকাশের পরেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী নাম চূড়ান্ত করতে রাজ্যের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাকে বিধানসভায় বিজেপির পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে দলটি। এতে আরো সহকারী পর্যবেক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন পড়শি রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিকে।
বিভিন্ন রাজ্যে পরিষদীয় দলনেতা বাছাই প্রক্রিয়ার পর্যবেক্ষক হিসাবে সর্বভারতীয় স্তরের দলের প্রথম সারির মুখদেরই বাছাই করা হয়। কিন্তু অমিত শাহকে এই কাজের জন্য বেছে নেওয়ার ঘটনা খুবই কম। নরেন্দ্র মোদীর সরকারে যিনি কার্যত ‘সেকেন্ড ইন-কমান্ড’-এর ভূমিকায় থাকেন, তাঁকে পর্যবেক্ষক করা হল পশ্চিমবঙ্গের পরিষদীয় দলনেতা বাছাইয়ের জন্য। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন এবং এই জয়কে যে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা আবার স্পষ্ট হল।
বিজেপির নেতৃত্ব নবনির্বাচিত প্রার্থী নিয়ে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই পরিষদীয় দলনেতার নাম ঘোষণা হয়ে যায়। এ বার বিধানসভার অন্দরে বিজেপির ভূমিকা বদলাতে চলেছে। বিরোধী ভূমিকার বদলে বিজেপি এখন বিধানসভায় সরকার পক্ষের ভূমিকায় থাকবে। সে ক্ষেত্রে নতুন মুখ্যমন্ত্রীই হবেন বিধানসভায় শাসকদলের পরিষদীয় দলনেতা। অর্থাৎ, এ বারের বৈঠকে শুধু পরিষদীয় দলনেতা নন, একই সঙ্গে স্থির হয়ে যাবে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নামও।
রিপোর্টার্স২৪/ফয়সাল