রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: কঠোর ডায়েট আর খাদ্যনিয়মে ক্লান্ত অনেকের জন্য আজকের দিনটি একটু ভিন্ন বার্তা নিয়ে এসেছে। ৬ মে উপলক্ষে অনেকে দিনটিকে মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন হিসেবে পালন করছেন যেখানে ডায়েট ভেঙে নিজের পছন্দের খাবার উপভোগ করার আহ্বান জানানো হয়।
বর্তমান সময়ে স্বাস্থ্যসচেতনতার নামে অনেকেই কঠোর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত কড়াকড়ি অনেক সময় শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সেই জায়গা থেকেই এই দিনটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয় শরীরকে নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ভালোবাসাও জরুরি।
এই ধারণার সূচনা হয় ১৯৯২ সালে। খাদ্যজনিত সমস্যায় ভুগে সুস্থ হয়ে ওঠার পর মেরি ইভান্স ইয়াং নামের এক ব্যক্তি বুঝতে পারেন, শরীর নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা মানুষকে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সেখান থেকেই খাবার ও শরীরকে ইতিবাচকভাবে দেখার এই দিনটির ধারণা শুরু হয়।
এই দিনটি শুধু ইচ্ছামতো খাওয়ার উৎসব নয়, বরং একটি সচেতনতামূলক বার্তাও বহন করে শরীরকে ঘৃণা নয়, ভালোবাসতে শেখা। ওজন বা শারীরিক গঠন নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা অনেক সময় মানসিক চাপ তৈরি করে বলে মনে করেন অনেকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ জীবনের জন্য সুষম খাদ্য যেমন জরুরি, তেমনি মানসিক প্রশান্তি নিয়ে খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। তাই বছরের এই দিনটি অনেককে মনে করিয়ে দেয়খাবারের সঙ্গে সম্পর্ক যেন আনন্দের হয়, চাপের নয়।
আজ তাই অনেকেই রুটিন থেকে একটু বিরতি নিয়ে প্রিয় খাবার খাওয়ার মাধ্যমে নিজেকে উপভোগ করার সুযোগ নিচ্ছেন।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম