নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক শিশু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগরকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এতে ভুক্তভোগীর পরিবারে স্বস্তি ফিরেছে।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর বাইপাস র্যাব-১৪ এর সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হক এই তথ্য জানান। এর আগে ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সোনামপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার হন।
র্যাব অধিনায়ক জানান, ঘটনার পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে চলে যান। তবে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারিতে অবশেষে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন। ইতোমধ্যে তাকে ঘটনার সম্পৃক্ততার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে তার কাছ থেকে বিশেষ কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব কর্মকর্তা ইশতিয়াক, নাজমুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আমানুল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর মদন উপজেলার হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক। শিশুটিও ওই মাদরাসারই ছাত্রী।
তার পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় শিশুটি মাদরাসা সংলগ্ন মসজিদের বারান্দা ঝাড়ু দিচ্ছিল। এ সময় তাকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে অভিযুক্ত শিক্ষক। এতে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। গ্রেপ্তার হওয়ার আগে এক ভিডিওবার্তায় তিনি দোষী ব্যক্তি শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব