আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্যের শতাধিক আসনে তৃণমূল প্রার্থীদের ‘জোর করে হারিয়ে দেওয়া’ হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে নিজ বাসভবনে বৈঠক শেষে তিনি এ অভিযোগ করেন। প্রয়োজনে নিজেই আইনজীবী হিসেবে আদালতে লড়বেন বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে মমতা জয়ী বিধায়কদের নিজ নিজ এলাকায় থেকে মানুষের পাশে থাকার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি দলীয় শৃঙ্খলা জোরদারে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। এই কমিটিতে রয়েছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শুভাশিস চক্রবর্তী ও অসীমা পাত্র।
এর আগে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনেও ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, গণনাকেন্দ্রে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে এবং অন্তত ১০০টি আসনে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে।
তিনি ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আচরণকে ‘গুণ্ডামি’ বলে আখ্যা দেন। মমতার ভাষায়, এমন নির্বাচন আমি কখনও দেখিনি।
নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে ও হেমন্ত সোরেন-এর সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।
তবে সম্ভাব্য জোট বা ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে এখনই কিছু জানাতে চাননি তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, চেয়ারের প্রতি আমার কোনো আগ্রহ নেই, মানুষের জন্য কাজ করব। একই সঙ্গে এই ফলাফলকে প্রকৃত পরাজয় হিসেবে মানতে নারাজ জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি