রিপোর্টার্স ডেস্ক: ভারতের বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে সৃষ্ট পরিস্থিতিকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
বুধবার (৬ মে) জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষদিনের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এরপর থেকেই নড়েচড়ে বসেছেন দায়িত্বে থাকা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।
ইতোমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ সকল সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় নাগরিকদের সম্ভাব্য পুশইন ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে আখাউড়া উপজেলার আনোয়ারপুর সীমান্তসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৪০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবৈধ পুশ-ইন ঠেকাতে ও বিশৃঙ্খলা রোধে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েনের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাড়তি নজরদারি ও টহল কার্যক্রম শুরু করে বিজিবি।
সীমান্ত এলাকায় ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। কোনোভাবেই যেন অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক কিংবা চোরাচালান বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক টহল অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিজিবি জানিয়েছে, ভারতে গত ৪ মে ভোটের ফলাফলের (তৃণমূলকে হারিয়ে বিজেপির জয়) পর থেকেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) যেন অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে না পারে, সেজন্য বিজিবি সতর্ক অবস্থায় আছে।
সীমান্তে যৌথভাবে পাহারা ও টহল জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দারাও সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্ত নিরাপত্তায় বিজিবির পাশাপাশি এলাকাবাসীরাও সহযোগিতা করছেন। অপরিচিত কাউকে সন্দেহজনকভাবে এলাকায় প্রবেশ করতে দেখলে দ্রুত বিজিবিকে জানানো হচ্ছে।
জরুরি কাজ ছাড়া শূণ্যরেখায় চলাচল সীমিত করা হয়েছে। ইমিগ্রেশনেও কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে, জানায় বিজিবি।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু