ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলার সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে প্রকাশ্যে নয়, সেখানে তাকে লুকিয়ে যেতে হয়েছিল।নেতানিয়াহুর দপ্তর বুধবার রাতে এ তথ্য জানায়। এর কয়েক ঘণ্টা পর আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দিয়ে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করে। যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত নেতানিয়াহুকে আমিরাত উষ্ণ অভ্যর্থনা দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন নেতানিয়াহুর সাবেক মুখপাত্র জিভ আঘমোন।
ফেসবুকে এক পোস্টে জিভ লিখেছেন, আরব আমিরাতকে ভালোভাবে চেনে এবং সেখানে দীর্ঘদিন থেকেছেন এমন একজন হিসেবে এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ঐতিহাসিক সেই সফরের সঙ্গী হিসেবে, যা এতদিন গোপন ছিল— আমি বলতে পারি প্রধানমন্ত্রীকে আবুধাবিতে রাজকীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হয়।
আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ, তার পরিবারের সদস্য এবং অন্যান্যরা আমাদের স্বাগত জানিয়েছেন এবং আমিরাতের মাটিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পেয়ে তারা অত্যন্ত খুশি হন।
তিনি আরও লিখেছেন, আমিরাতের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়েছেন এবং তার ব্যক্তিগত গাড়ি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বিমান থেকে প্রাসাদে নিয়ে যান। এই অসাধারণ সফরে প্রধানমন্ত্রী যা করেছেন তা নিয়ে আগামী কয়েক প্রজন্ম কথা বলবে। এটি ছিল অসাধারণ এক সফলতা।
এদিকে নেতানিয়াহুর গোপন আমিরাত সফর নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তারা এ সফর সম্পর্কে আগে থেকে জানেন। আরাঘচি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে আমিরাত আরব অঞ্চলে বিভাজন তৈরি করছে। যার কোনো ক্ষমা নেই। বিভাজনকারীদের বিচারের আওতায় আনারও হুমকি দেন তিনি।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
রিপোর্টার্স২৪/এম এইচ