রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আমরা ফটোকার্ডের রাজনীতি করি না। আমরা বাস্তবভিত্তিক এবং জনরায় নিয়ে জবাবদিহিমূলক রাজনীতি করছি।
তিনি বলেন, আগের সবগুলো পরিকল্পনায় গলদ ছিল। অর্থাৎ কাঠামোগত গলদ থাকায় বাস্তবায়ন হার খুব খারাপ ছিল। প্রকল্পে পিডি (প্রকল্প পরিচালক) নিয়োগ ঠিকমতো হতো না, সময়ে সময়ে প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়তো। প্রকল্পে চতুর্থ সংশোধন পর্যন্ত করতে হয়েছে। বালিশ কাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছিল।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়ন সংক্রান্ত অ্যাডভাইজরি কমিটির দ্বিতীয় সভায় এসব কথা বলেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মনজুর হোসেন।
রাশেদ আল মাহমুদ আরও বলেন, অতীতে যেসব পরিকল্পনা ছিল সেগুলো পরের দিনই মৃত ঘোষণা হতো। আমরা যে পরিকল্পনাটি করছি সেটি হবে ইতিহাসের মাইলফলক। এরই মধ্যে যে খসড়া তৈরি হয়েছে সেটি আইনের শাসন, জবাবদিহিতা ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করবে। ২০৩৪ সালের মধ্যে আমরা কীভাবে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি তৈরি করবো সেটির পরিকল্পনাই করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আগে পরিকল্পনা কমিশনের দুটি কাজ ছিল। একটি হলো ৫০ কোটি টাকার কম প্রকল্প দ্রুত পাস করা। এক্ষেত্রে কোনো মিটিং-সিটিং লাগতো না। আর একটি ছিল মন্ত্রণালয়গুলো ইচ্ছেমতো প্রকল্প তৈরি করতো আর তা অনুমোদনে রাবার স্ট্যাম্প হিসেবে কাজ করতো। কিন্তু এখন আর এসব চলবে না। পরিকল্পনা কমিশনকে শক্তিশালী করা হবে। আগের সরকার যেহেতু নির্বাচিত ছিল না, তারা ইচ্ছেমতো প্রকল্পে টাকা খরচ করে দেশের জনগণকে ঋণে নিমজ্জিত করে রেখেছে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম