প্রিন্ট এর তারিখঃ | বঙ্গাব্দ || প্রকাশের তারিখঃ 20-05-2026 ইং
সংবাদ শিরোনামঃ বনানীতে সিসা বারে মদসহ আটক ৮
রিপোর্টার্স ডেস্ক: রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীর একাধিক অবৈধ সিসা বার ও মদের আসরে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। অভিযানে বিপুল পরিমাণ সিসা, হুক্কা, বিদেশি মদ ও বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। এ সময় সিসা বার সংশ্লিষ্ট আটজনকে আটক করা হয়।
এদিকে পৃথক আরেকটি অভিযানে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ বনশ্রী এলাকা থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে অধিদপ্তর। বুধবার (২০ মে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসব অভিযান চালানো হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (অপারেশনস) মো. বশির আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে অংশ নেন অতিরিক্ত পরিচালক এ কে এম শওকত ইসলাম, অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ বদরুদ্দীন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাসসহ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, বনানীর ১১ নম্বর সড়কের ‘টাওয়ার বি ইলেভেন’ নামের ১৬ তলা ভবনের ১৪ তলায় ‘রিভেল হোক্কা লাউঞ্জ অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট’ নামের একটি অবৈধ সিসা বার চলছিল। সেখানে অভিযান চালিয়ে ১০০ গ্রাম সিসা, ২৪টি হুক্কা, ২০টি কলকি ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ সময় সিসা বারটি পরিচালনার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
একই ভবনের অষ্টম তলায় আরেকটি অভিযান চালিয়ে টিটু মজুমদার নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে জনি ওয়াকার ডাবল ব্ল্যাক, ক্যালভেট ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ এবং কার্লসবার্গ ও আসাহি ব্র্যান্ডের বিয়ার উদ্ধার করা হয়।
ডিএনসির কর্মকর্তারা জানান, বুধবার বনানীর ২৮ নম্বর সড়কের ‘দ্য ক্যাফে এক্সিল’ নামের আরেকটি শিশা বারে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আড়াই কেজি সিসা, পাঁচটি হুক্কা, কয়লা, মোবাইল ফোন, ডিভিআর ও হার্ডডিস্ক জব্দ করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মনির হোসেন ও সাইফুল ইসলাম নামের দুজনকে আটক করেছে ডিএনসি।
এর আগে গত ১৭ মে রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রী এলাকায় পৃথক একটি অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। সেখান থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবাসহ জহিরুল ইসলাম পাপন ও জান্নাতুল ফেরদৌস এনি নামে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযানের বিষয়ে ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মেহেদী হাসান বলেন, অভিজাত এলাকায় লাইসেন্সবিহীন এসব অবৈধ সিসা বার ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।