গাইবান্ধা প্রতিনিধি: খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সুবিধাভোগীদের জনপ্রতি ১০ কেজি হারে ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর আওতায় গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় পর্যায়ক্রমে এ চাল বিতরণ করা হয়েছে।
তবে চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে কিছু এলাকায় নিম্নমানের চাল সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গিদারী, বোয়ালী ও বাদিয়াখালী ইউনিয়নে কিছু নিম্নমানের চাল বিতরণ করা হয়েছে। যদিও খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিপুল পরিমাণ চাল সরবরাহের মধ্যে দু-একটি বস্তায় মানগত সমস্যা দেখা দিলে তা পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়েছিল। তবে সম্পূর্ণ অখাদ্য চাল হলে সুবিধাভোগীরা তা গ্রহণ করতেন না বলেও মত দেন তারা।
এ বিষয়ে ১১ নম্বর গিদারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইফতেখার সাবুর বলেন, “চাল বিতরণের সময় আমার কাছে নিম্নমানের চাল পাওয়ার কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই তা বিতরণ বন্ধ করা হতো।”
গাইবান্ধা সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিদ হাসান বলেন, “সদরের ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৬২৪ দশমিক ৩৪০ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করা হয়েছে। চালের মান নিশ্চিত করতে আমরা সবসময় সতর্ক থাকি। গুদাম থেকে চাল গ্রহণের সময় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা তা যাচাই-বাছাই করে বুঝে নেন। তাই ওজনে কম বা খারাপ চাল সরবরাহের সুযোগ নেই।”
এদিকে সচেতন মহলের মতে, ঈদ উপলক্ষে বিপুল পরিমাণ চাল বিতরণের ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি বস্তায় সমস্যা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরঞ্জিত আলোচনা না করে বাস্তবতা যাচাই করা প্রয়োজন।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু