স্টাফ রিপোর্টার: টঙ্গী হাজী মাজার বস্তির এক মাদক বিক্রেতার সোর্সের সঙ্গে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)–এর এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) মোবাইল কথোপকথন ফাঁসের ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ফাঁস হওয়া কথোপকথনে এসআইকে মাসিক অর্থ লেনদেন ও চাপ প্রয়োগের বিষয়ে কথা বলতে শোনা যায় বলে দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে টঙ্গীর হাজী মাজার বস্তির এক মাদক কারবারির লাইনম্যানের সঙ্গে জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের দক্ষিণের এসআই অলিউল্লাহর ফোন রেকর্ড প্রচার করা হয়। সেখানে মাসিক অর্থের অঙ্ক নিয়ে দর-কষাকষির মতো কথাবার্তা শোনা যায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত এসআই অলিউল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই কথোপকথন আমার নয়। এটি ষড়যন্ত্র করে বানানো হয়েছে।
মো. বেলায়েত হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কমিশনার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ডিসি ডিবি বিষয়টি তদন্ত করছেন।
অন্যদিকে সাহেব আলী পাঠান বলেন, তদন্ত শেষ হয়েছে এবং আজই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, টঙ্গীর বিভিন্ন বস্তিতে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও বিভিন্ন সময় অভিযানের তথ্য আগেই ফাঁস হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পাশাপাশি কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও অতীতে উঠে এসেছে, যেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি