টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় কুরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। উপজেলার বল্লা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে চামড়া সংগ্রহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন ও পরদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু, ছাগল ও মহিষের চামড়া সংগ্রহ করা হয়। তবে প্রতি বছরের মতো এবারও চামড়ার ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে ব্যবসায়ী, মাদরাসা ও এতিমখানা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চামড়া সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত লবণ এবং দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না গেলে অনেক চামড়া নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। অন্যদিকে সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া বিক্রি করা সম্ভব হলে মাদরাসা, এতিমখানা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাবে।
কালিহাতী উপজেলা সাধারণ চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ জুলহাস উদ্দিন এবং সহ-সভাপতি মো. আলী হোসেন বলেন, চামড়া শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকার, ট্যানারি মালিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে আমরা লোকসানের মধ্যে রয়েছি। সরকারি তদারকি বৃদ্ধি ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে।
এদিকে সচেতন মহলের মতে, কুরবানির পরপরই চামড়ায় পর্যাপ্ত লবণ প্রয়োগ ও সঠিক সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে অপচয় অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি মাদরাসা ও এতিমখানাগুলোও বেশি উপকৃত হবে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, কুরবানির মৌসুমকে কেন্দ্র করে সরকার ও ট্যানারি মালিকদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হবে এবং দেশের ঐতিহ্যবাহী চামড়া শিল্প নতুন করে গতিশীলতা ফিরে পাবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম