স্টাফ রিপোর্টার: ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার ‘ছায়া বাজেট’ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। প্রস্তাবিত এ বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এ বাজেট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।
এ সময় তিনি বলেন, তাদের দল কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের জন্য নয়, দেশের ১৮ থেকে ২০ কোটি মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় এ বাজেট প্রণয়ন করেছে। তিনি দাবি করেন, সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এসব মূল্যবোধ অনুপস্থিত থাকলে সরকারের পক্ষে কোনো বাজেটই কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।
তিনি রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে বলেন, অতীতে নির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে সংসদে গেলেও গণভোটের ফলাফল কার্যকর না করায় জনগণকে হতাশ করা হয়েছে। এর ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াত আমিরের দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং বর্তমানে আর্থিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়েও সমালোচনা করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, অর্থবছরের শেষ দুই মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বড় অংশ তড়িঘড়ি করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়, যা প্রকৃত উন্নয়ন নয়, বরং ‘গণলুটপাট’। এর সুফল জনগণ পায় না বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে জুলাই থেকে জুন পর্যন্ত অর্থবছর পরিচালিত হলেও বর্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এ সময়সীমা নানা সমস্যার সৃষ্টি করে। এ কারণে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থবছর নির্ধারণের প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি