মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরায় বাদ্য বাজিয়ে সাড়ে সাত কিলোমিটার জার্মানির পতাকা বানিয়ে প্রদর্শন করছেন আমজাদ হোসনে (৭২)। প্রতি বিশ্বকাপেই তার বানানো পতাকার দৈর্ঘ্য বাড়ে । ২০০৬ সালে প্রথম দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর পতাকা তৈরি করেন জার্মান ফুটবলের এই সমর্থক।
২০১০ সালে বিশ্বকাপের সময় পতাকা হয় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ। ২০১৪ সালে সাড়ে তিন কিলোমিটার। এবার বিশ্বকাপ উপলক্ষে আমজাদ হোসেন তৈরি করেছেন সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকা।
বুধবার (১০ জুন) সকালে মাগুরা সদর উপজেলার নিশ্চিতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জার্মানি ফুটবল দলের পকাতা প্রদর্শন করা হয়। এ সময় গোটা স্কুল মাঠ জুড়ে ফুটবল প্রেমীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
সকালে বর্ণাঢ্য র্যালি করে ছোট মিনি ট্রাকে বল আকারে জার্মান ফুটবল দলের পতাকা নিয়ে আসা হয় স্কুল মাঠে। পরে সমর্থকদের ভালোবাসায় পতাকা মাঠে প্রদর্শন করা হয়। এ সময় গোটা এলাকা জুড়ে আনন্দ উচ্ছ্বাস বয়ে যায়।
জার্মান ফুলবল দলের ভক্ত আমজাদ হোসেন বলেন, ২০০৪ সালে শুরু হয় এই ভক্তি। জার্মানির নিয়মিত ওষুধ খেয়ে তিনি সুস্থ্ হন। শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়ে ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে জার্মানিকে একটা পতাকা উপহার দেন। সেই পতাকার দৈর্ঘ্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে সাত কিলোমিটার। আগামীতেও পকাতার পরিধি বৃদ্ধি করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
মাগুরা পৌরসভার ঘোড়ামারা গ্রামে আমজাদ হোসেনের বাড়ি। তিনি পেশায় কৃষক। শুরুর দিকে পতাকা তৈরি করতে গিয়ে পরিবারের সমর্থন না পেয়ে নাছোড়বান্দা আমজাদ জমি বিক্রি করে বানিয়েছেন জার্মান ফুটবল দলের পতাকা।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব