রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, সরকার শুধু হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করেছে, তবে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজ বন্ধ করা হয়নি। শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য হাসপাতালে প্র্যাকটিস করতে পারবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (১৫ জুন) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অমানবিক সেবার কারণে আমরা এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। কেউ যদি স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম বা অবহেলা করে, তাহলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসের জন্য বিকল্প হাসপাতাল রয়েছে এবং সেসব প্রতিষ্ঠানে তাদের প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখা সম্ভব।
হাম পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি শতভাগ সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি অর্জিত হয়েছে।
তিনি জানান, আমরা টিকাদান বন্ধ করিনি। ঈদের আগেও প্রতিদিন টিকা দেওয়া হয়েছে এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা হয়েছে। ইপিআই কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এখনও কিছু ক্ষেত্রে হামে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। গত কয়েকদিনে আক্রান্তের সংখ্যা ওঠানামা করেছে। তবে গত সপ্তাহে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য ছিল।
মন্ত্রী দাবি করেন, টিকাদান কর্মসূচির ফলে বড় ধরনের পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তামাককে একটি ভয়াবহ আসক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তামাক শুধু ফুসফুস নয়, শরীরের প্রায় সব অঙ্গের ক্ষতি করে এবং ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।
তিনি আরও বলেন, তামাকের ক্ষতি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং বিদ্যমান আইন আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে, যাতে অপরাধীরা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম